1. খোঁজ
  2. ৩০টি ভাষার মধ্যে বেছে নিন


 

সংস্কৃতি বিনোদন | 30.07.2010

ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের বছরে আয় ৫০ কোটি পাউন্ড

 

রাজা, রানী বা রাজপরিবার সবসময়ই সাধারণ মানুষের কাছে আগ্রহের বিষয়৷ আর তা যদি হয় হাজার বছরের পুরনো তাহলে তো কথাই নেই৷ বলছি ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের কথা৷ বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে যার আয় বছরে ৫০ কোটি পাউন্ড৷

 

ব্রিটিশ পর্যটন কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে শুক্রবার জানা গেছে এই তথ্য৷ এই রাজতন্ত্রের এক হাজার বছরের পুরনো ইতিহাসের পাশাপাশি যোগ হয়েছে বর্তমান রাজপরিবার নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের উৎসাহ৷ যা বিশ্ববাসীকে টেনে নিয়ে আসে যুক্তরাজ্যের দর্শনীয় বিখ্যাত স্থানগুলোতে৷

গত বছর পর্যটকদের কাছে লন্ডন টাওয়ার ছিল রাজকীয় দর্শনীয় স্থানগুলোর শীর্ষ আকর্ষণ৷ গত বছর ২৪ লাখ পর্যটক ঘুরে দেখেছেন লন্ডন টাওয়ার৷ দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল গ্রিনিচের ন্যাশনাল মেরিটাইম মিউজিয়াম৷ যার মধ্যে রানীর বাড়ি ছাড়াও প্রথম জেমস, প্রথম চার্লস এবং রয়্যাল অবজারভেটরিও অন্তর্ভুক্ত৷ স্থানটি ঘুরে দেখেছেন ২৩ লাখ পর্যটক৷ আর এডিনবরা ক্যাসেল টেনেছে ১১ লাখ পর্যটক৷ সেই দিক দিয়ে রয়েছে ছয় নম্বর স্থানে৷ রানী প্রথম ও দ্বিতীয় এলিজাবেথের প্রধান বাসভবন উইন্ডসর ক্যাসেল সপ্তম স্থানে, পর্যটক টেনেছে ৯ লাখ ৮৭ হাজার৷

বাকিংহাম প্যালেস, প্যালেস অব হলিরুড হাউস এবং উইন্ডসর ক্যাসেল ঘুরে দেখেন প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ পর্যটক৷ থিয়েটার, পাবস, গ্যালারি ক্যাসেলসহ ব্রিটেনের সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে তুলে ধরার জন্যে প্রায় ১ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়৷ এই সব তথ্যই দিয়েছে ব্রিটিশ পর্যটন কর্তৃপক্ষ৷

প্রতিবেদন: ফাহমিদা সুলতানা

সম্পাদনা: হোসাইন আব্দুল হাই

 
 

আমাদের ই-মেল পাঠান »অন্যদের পাঠান »প্রিন্ট করুন »

Weitere Schlagzeilen

 
এই প্রতিবেদন অন্যদের পাঠান


 
ডুইসবুর্গের লাভ প্যারেড

বিচিত্র হোটেল

জার্মানিতে এ ধরনের বেশ কিছু হোটেল আছে, যেখানে থাকাটাই আসল কথা৷

অন্যান্য ভাষা

দক্ষিণ এশিয়ার জন্য ডয়চে ভেলের অন্যান্য ভাষায় ওয়েবসাইট

  • বাইরের ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তুর জন্য ডয়চে ভেলে দায়ী নয়